লোকমানের প্রতিবাদের ভাষাও মূকাভিনয়!!



কথা না বলেও যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যায়, লোকমানের প্রতিবাদ দেখলে সেটা বেশ সুন্দরভাবেই বোঝা যায়। অন্যায়ের প্রতিবাদে শিল্প কতটা কার্যকর হতে পারে, জানতে চাইলে লোকমান বলেন,

“আমি মনে করি, শিল্প শুধু স্টেজে চর্চার বিষয় নয়শিল্প হচ্ছে সময়ের প্রয়োজনে মানবিক আহ্বানে সাড়া দেওয়ার বিষয়। শিল্পের শক্তি অনেক বেশি। পৃথিবীতে যতগুলো বিপ্লব হয়েছে তার পেছনে অস্ত্রের সমান কিংবা তার চেয়ে বেশি শিল্পের ভূমিকা ছিল। এ কারণেই আমি একজন শিল্পী হিসেবে আমার নিজ অবস্থান থেকে যেকোন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাই

“আমরা যদি কাউকে হাসাতে চাই তাহলে সবচেয়ে সুন্দর করে হাসাতে পারি, কাউকে ইমোশনাল করতে চাইলে প্রকটভাবে ইমোশনাল করতে পারি, কাউকে রোমান্টিক করতে চাইলে খুবই শৈল্পিকভাবে রোমান্টিক করতে পারি মূকাভিনয়ের মাধ্যমে”- এভাবেই মূকাভিনয়ের শক্তি বর্ণনা করছিলেন মীর লোকমান।

মূকাভিনয় দিয়ে সবার কাছে পরিচিত হলেও লোকমানের কাব্য প্রতিভাও উল্লেখ করার মতো। অবসর পেলেই কবিতা লিখতে বসে যান তিনি। ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কবিতার বই জীবনের প্রতিধ্বনি

আমি পারবো, পারতে আমাকে হবেই”- এই তত্ত্বে বিশ্বাস রেখে প্রতিদিনই নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন মীর লোকমান।

ঢাবির লোকমান: মূকাভিনয় শিল্পের ফেরিওয়ালা!!

কিশোর লোকমানের প্রথম মূকাভিনয় মুগ্ধতা


পথচলাটা মোটেও সহজ ছিল না


‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন’র স্বপ্নযাত্রা


পরিবার মূকাভিনয়কে কিভাবে নিয়েছিল?


মূকাভিনয়টাই স্বপ্ন, কেন?


লোকমানের প্রতিবাদের ভাষাও মূকাভিনয়!!


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি


More news