‘চালন্দা গিরিপথ’ আবিস্কার!!



ক্যাম্পাসের কি কি শিমুলের ভালোলাগায় এবং ভালোবাসায় মিশে আছে, জানতে চাইলে জানান,

পাহাড়ে ঘোরাঘোরি, লাইব্রেরির মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবি তুলতেই বেশি আনন্দ পাই আর জায়গার কথা বলতে গেলে চালন্দা গিরিপথের কথাই বলব। আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ওটাই

সর্বপ্রথম সেখানে যাওয়া হয় ভাটিয়ারি যাওয়ার পথে। আমরা দলবেঁধে গিরির ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলাম সেদিক দিয়ে ভাটিয়ারি যাওয়ার জন্য। আমাদের সাথে একজন গাইড ছিলেন যেহেতু আমরা পথ চিনতাম না। তিনি আমাদের ভাটিয়ারি নিয়ে যাওয়ার উদ্দ্যেশে সে পথ ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

যাওয়ার পথেই দেখলাম যে পাশে খুব সুন্দর একটা জায়গা আছে। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম, তবে সেবার একদম ভেতরে যাওয়া হয়নি। ভেতরে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত। আমরা মাত্র ৫ মিটারের মত প্রবেশ করি সেখানে।

প্রথম দেখাতেই অসাধারণ লাগে সেই জায়গাটা। আমরা আনন্দে হইহুল্লোর করতে থাকি। তখন জানতে পারলাম এই জায়গায় আগে কেউ আসেনি! যার কারণে এর কোন নামও জানা গেল না। আমরা প্রায় এগারো জন বন্ধুর একটা টিম ছিলামএসময় আমরা ভাবলাম এত সুন্দর একটা জায়গার নাম অবশ্যই থাকা প্রয়োজন!!

এক এক জন একটা করে নাম দিতে থাকলো অবশেষে আমরা ঠিক করলাম “নালন্দা আর বিশ্ববিদ্যালয়”কে একসাথে মিলিয়ে “চালন্দা গিরিপথ”। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চালন্দা গিরিপথ!!আমি পরবর্তিতে অনেকবার গিয়েছি সেখানে। অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছি, আমার চেয়ে আগে সেখানে এখনো কেউ যায়নি বলতেই পারি। আধা কিলোমিটার পর্যন্ত মোটামোটি চলে যাওয়া যায় কিন্তু পরের পথ খুব ঝুঁকিপূর্ণ তাই খুবই সাহস আর সতর্কতার সাথে যেতে হয়। পা পিছলে পড়ার যে রকম ভয় থাকে তেমনি সাপেরও ভয় আছে

কিন্তু আজকাল আমার ভাললাগার পাশাপাশি খুব কষ্টও লাগে যখনই দেখি মানুষ সেখানে যাচ্ছে আর জায়গাটাকে ময়লা করছে। আমার শেষবার গিয়ে খুব মন খারাপ হয়েছিল, যখন দেখলাম মানুষজন সেখানে পানির বোতল, খাবারের প্যাকেট নিয়ে গিয়ে ফেলে আসছে।

আমি সবাইকে আহ্বান জানাবো চালন্দা গিরিপথের সৌন্দর্য্য রক্ষায় সচেতন হতে আর পরিবেশ রক্ষায় ভুমিকা রাখতে।

চবি’র শিমুল: ক্যামেরার চোখে ক্যাম্পাসেররূপচোর’!!

ছবি তোলার শুরু


ক্যাম্পাস জীবন কেমন ছিল?


CUPS’র সাথে যাত্রা শুরু  


শিমুলের ফটোগ্রাফির টেস্ট কেমন?


‘চালন্দা গিরিপথ’ আবিস্কার!!


ফটোগ্রাফিটাই কি প্রফেশন..?


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি


More news