ক্যাম্পাসে সবাই এক নামেই চেনে!



ক্যাম্পাসে সবাই একনামে চেনার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করায় বিনয়ী গলায় বলেন-

“আসলে আমি কাজ করার সময় সর্বোচ্চ চেষ্টা করি যেন ভাল কিছু দিতে পারি, আমার কাছে এটাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়অবশ্যই আমার কাছে অন্যরকম অনুভূতির ব্যাপার হয় যখন দেখি সিনিয়র কিংবা ব্যাচমেটরা প্রশংসা করে আর জুনিয়ররা অনুপ্রাণিত হয়। এটা পরে আরো ভাল কাজ করার জন্য প্রভাবকের মত কাজ করে। এটা আমার জন্য একটা বড় পাওয়া।”

ক্যাম্পাসে সবচেয়ে সিনিয়র ব্যাচের সদস্য হিসেবে তুর্জি জুনিয়রদের কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন আর বলেন, যে কাজই হোক না কেন প্যাশন নিয়ে করতে।  যেখানে প্যাশন খুঁজে পাওয়া যায় সেখানেই কাজ করা উচিৎ আর তাতে আন্তরিকতা নিয়ে লেগে থাকতে হবে

কাজে প্যাশন নিয়ে লেগে থাকলে দেখা যাবে, সাময়িকভাবে গুরুত্বহীন কাজও তার সাফল্যের বার্তাবাহক হয়ে উঠবে।

বুয়েটের তুর্জি: প্রতিভার বহুমাত্রিক বিন্যাস!!

স্বেচ্ছাসেবক পরিচয়টা উপভোগ করি


নাচ আর উপস্থাপনাটা শখের বসেই!


ম্যাগাজিনের পাতায় তুর্জিকে দেখলে অবাক হবেন না!!


ক্যাম্পাসে সবাই এক নামেই চেনে!


ভবিষ্যৎ আর্কিটেক্ট তুর্জি ও তার স্বপ্ন


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

More news