ভবিষ্যৎ আর্কিটেক্ট তুর্জি ও তার স্বপ্ন



আর্কিটেকচারের পড়াশোনা মাত্রই প্রায়োগিক পড়াশোনা। পড়াশোনার পাশাপাশি তাই ভবিষ্যৎ আর্কিটেক্টরা বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করেন আগে থেকেই, তাদের অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমৃদ্ধ করে নিতে। তুর্জিও তার ব্যতিক্রম নন।

এই অল্প সময়েই তিনি করেছেন অনেকগুলো কাজ। তার প্রথম কাজ হচ্ছে বাগেরহাটের একটা মসজিদতারপর করেন পথশিশুদের জন্য একটা লাইব্রেরির কাজ। কয়েকটা রেস্টুরেন্টের আর সেনানিবাসে আর্মিদের অফিসের কিছু ইন্টেরিয়রের ডিজাইনও করা হয়েছে তার।

তুর্জির লক্ষ্য হচ্ছে নিজের একটা আর্কিটেকচারাল ফার্ম দেয়া ১০ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান? জানতে চাইলে তুর্জির জবাব,

১০ বছর সামগ্রিক বিবেচনায় অনেক ক্ষুদ্র সময় হলেও ব্যক্তি জীবনের নিরিখে বেশ লম্বা সময় আমার স্বপ্ন বলি কিংবা ইচ্ছা বলি আমি চাই আমার একটা নিজস্ব আর্কিটেকচারাল ফার্ম থাকবে এটা অবশ্য সব আর্কিটেকচারের ছাত্র-ছাত্রীদেরই আরাধ্য আমি এখন থেকে যেহেতু কাজকর্ম করছি একটা অভিজ্ঞতাও হয়ে যাচ্ছে আর পেশাদারিত্বের বাইরের ব্যাপারে বলবো, আমি এখন যেমন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের সাথে আছি ভবিষ্যতে এটাকে আরো বড় পরিসরে করার চেষ্টা থাকবে

তবে এসব অনেক পরের ভাবনা। এখন বেশি করে কাজ করে পূর্ণ করে নিতে চান নিজের অভিজ্ঞতার ভান্ডার। যা তাকে তার স্বপ্নের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বুয়েটের তুর্জি: প্রতিভার বহুমাত্রিক বিন্যাস!!

স্বেচ্ছাসেবক পরিচয়টা উপভোগ করি


নাচ আর উপস্থাপনাটা শখের বসেই!


ম্যাগাজিনের পাতায় তুর্জিকে দেখলে অবাক হবেন না!!


ক্যাম্পাসে সবাই এক নামেই চেনে!


ভবিষ্যৎ আর্কিটেক্ট তুর্জি ও তার স্বপ্ন


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

More news