Artista এবং ছন্দার ইন্টেরিয়র ডিজাইনার হয়ে উঠা



“ফিনিক্সের ছবির দোকান” এর আগেই ফেসবুকে আরেকটি পেইজ খুলেছিলেন Artista নাম  দিয়ে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রতি আগ্রহ থেকে এই পেইজের সূচনা। ছন্দা মূলত ক্যানভাস পরিবর্তন করতে ভালোবাসেন। তাই স্মার্টফোনের ব্যাক কভারের মত ছোট ক্যানভাসের পাশাপাশি তিনি বেছে নিয়েছেন ঘরের দেয়ালের মত বিশাল ক্যানভাস।

কিন্তু Artista তে কাজ পাওয়াটা প্রথম দিকে বেশ মুশকিলই ছিলোঅবশ্য পরে ধীরে ধীরে সে কাজও বাড়তে থাকে। দারুণ কিছু কাজের অফার পান। এসব ক্ষেত্রে অবশ্য কম বিব্রত হননি ছন্দা। ঘরের ডিজাইন নিয়ে কথা বলতে গেলেই অনেকের এক্সপ্রেশন এমন হতো যে “একজন নারী ঘরের ইন্টেরিয়র ডিজাইন করবে?” ইন্টেরিয়র ডিজাইন করার সময় মই বেয়ে উপরে উঠে রং করতে হয়। একজন মেয়ে মই বেয়ে উপরে উঠবে এমনটা মানতে অনেকের কষ্ট হত!


বায়োকেমেস্ট্রিতে পড়াশুনা করে আর্টিস্ট বনে যাওয়া মোটেও সহজ কাজ ছিলো না ছন্দার পক্ষে। বহুবার কাজ করার আগে তাকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে, তিনি চারুকলা থেকে পড়ে এসেছেন কিনা

প্রতিভা দেখিয়েই তিনি জয় করেছেন এই প্রতিবন্ধকতাগুলোকে।

বড় ক্যানভাসে নিজের প্রিয় কাজ ছিলো ফ্রোজেন থিম নিয়ে কাজ। দেয়াল, সিলিং সব হতে হবে ফ্রোজেন থিমের, এমনটাই চাহিদা ছিলো ক্লায়েন্টের। অনেকটা সময় ধরে ভাবলেন কীভাবে দেয়ালে ফুটিয়ে তুলবেন থিমটিকে। শেষমেশ দেয়ালে আঁকলেন এলসাকে, যে ম্যাজিক করছে। আর তার সেই ম্যাজিক ছড়িয়ে যাচ্ছে ঘরময়। সিলিংয়ে ফুটে উঠেছে এক একটা গ্যালাক্সি।


প্রায় ১০ থেকে ১২টা ইন্টেরিয়র ডিজাইন করেছেন তিনি। স্কয়ার প্রতি ৪০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা নেন ডিজাইনের জন্য।

কেমন ধরণের ঘরের দেয়াল বা সিলিং চান, সেটা শুধু মুখ ফুটে বললেই হবে। আপনার বলা সিচুয়েশন থেকেই ছন্দা বের করে নিয়ে আসবেন এক একটা রূপকথা!!

ছন্দা: সৃজনশীলতাই তাকে করেছে উদ্যোক্তা!!

বায়োকেমিস্ট থেকে উদ্যোক্তা হয়ে উঠা!!



Artista এবং ছন্দার ইন্টেরিয়র ডিজাইনার হয়ে উঠা



উদ্যোক্তা ছন্দার আমার আমি!



নিজস্ব প্রতিবেদক, ছবিছন্দার ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া

More news