উদ্যোক্তা ছন্দার আমার আমি!



হাসলে গালে দারুণ একটা টোল পড়ে তার। দারুণ করে কাজল দেন চোখে। সেই চোখ যেন বিশাল এক সমুদ্র!! উদ্যোক্তা ছন্দার বাইরে কানিজ ফাতেমা ছন্দা খুবই উচ্ছল। সময় পেলেই পাহাড়, সমুদ্র ঘুরে আসেনসঙ্গে থাকে নিজের প্রিয় সাইকেল। সাইকেল চালিয়ে কতশত পথ যে তিনি পাড়ি দিয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই।

নিজেই শুধু সাইকেল চালান না। সপ্তাহের একটা দিন মেয়েদেরকে সাইকেল চালানো শেখান। রীতিমত সাইকেল চালানোর জন্য স্কুল খুলে বসেছেন তিনিনাম School of Cycling: Feminaসাইকেল চালানো মেয়েদের শারীরিক ফিট থাকার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। এমনটাই মনে করেন ছন্দা।

খুব কঠিন সময় পার করেছেন নিজের উদ্যোক্তা জীবনে। এখন সেগুলো বলতে নারাজ। হয়তো কোনোদিন আরও সফল হলে শোনা যাবে সে গল্প।

দেশের অর্থনৈতিক স্ট্রাকচার বদলে দিতে পারেন সে দেশের উদ্যোক্তারা। আর তাই তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহ দেন ছন্দা। যারা উদ্যোক্তা হতে চান তাদের তিনটা জিনিস থাকা জরুরী। Confidence, Patience আর Goalকাজের মাঝখানে অনেক ঝড় ঝাপটা আসবেই। কিন্তু উৎসাহ হারিয়ে ফেললে কিছুতেই কিছু হবে না।

বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসেন। শীর্ষেন্দু তার প্রিয় লেখক। শীর্ষেন্দুর লেখা প্রায় সব বই-ই পড়া হয়ে গেছে তার। একটা জিনিষ ভীষণ বিশ্বাস করেন, “There is a difference between knowing the path and walking the path”

কাজ করার ক্ষেত্রে তৃপ্তিটা তখন আসে যখন সেই কাজ পেয়ে ক্লায়েন্ট খুশি হয়। একবার এক ক্লায়েন্ট এতই খুশি হয়েছিলো যে ছন্দাকে একটা দারুণ জামা গিফট করেছিলোএই ছোট ছোট কাজগুলোই দিনশেষে ছন্দাকে প্রেরণা দেয় ভালো কাজ করারসেই কথা বলতেই নিজের প্রিয় দুটি কবিতার লাইন তুলে ধরেন তিনি,

প্রিয় পতাকার লাগি জটায়ুর মত রক্ত ঝরাতে, আমিও প্রহর জাগি”। হয়ত এই প্রহর জেগে থাকাই জন্ম দেয় আগামী দিনের কোন সফলতাকে।

ছন্দা: সৃজনশীলতাই তাকে করেছে উদ্যোক্তা!!

বায়োকেমিস্ট থেকে উদ্যোক্তা হয়ে উঠা!!



Artista এবং ছন্দার ইন্টেরিয়র ডিজাইনার হয়ে উঠা



উদ্যোক্তা ছন্দার আমার আমি!



নিজস্ব প্রতিবেদক, ছবি: ছন্দার ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া

More news