অস্কার মূর্তির মজার কিছু তথ্য



ছোট্ট এই অস্কার আইডল নিয়ে আছে কিন্তু অনেক মজার কাহিনী। সবার প্রতীক্ষিত এই অস্কার মূর্তি নিয়ে মজাদার কয়েকটি মজার তথ্য তুলে ধরা হল:

 

১) যে মূর্তিটি কাল বিজয়ীদের হাতে উঠবে সেটি তৈরিতে লেগেছে ২৪ ক্যারট স্বর্ণ। ২০১১ সালে সিবিএস এর তথ্য অনুযায়ী মূর্তির বানাতে খরচ হয় ৪০০ ডলার। প্রথম দিকে এই মূর্তিটি ছিল গোল্ড প্লেটেড ব্রোঞ্জের তৈরি।

২) অস্কার মূর্তিটির মূল ডিজাইনার ছিলেন আর্ট ডিরেক্টর সেডরিক গিবনস। ১৯৮২ সালে মূর্তিটিকে সোনার পোলিশে আরও আকর্ষণীয় করার কৃতিত্ব শিকাগোর আরএস ওয়েন্স অ্যান্ড কোম্পানির।

 

৩) গন উইথ দি উইন্ড বিখ্যাত মুভির “সেরা চিত্রনাট্য”র জন্য অস্কার পেয়েছিলেন ডেভিড ও সেলজিঙ্ক আইডলটি পরে মাইকেল জ্যাকসন কিনে নিয়েছিলেন ১,৫৪২,৫০০ ডলার নিয়ে। এখন পর্যন্ত এটাই আইডলর সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য।

৪) ১৯২৯ সালে প্রথম অস্কার আসনে প্রায় ৩০০০টি আইডল রাখা হয়েছিল মঞ্চে!!!   

৫) ১৯২৯ সালে প্রথম অস্কার মূর্তিটি উঠে এমিলি জ্যানিংসের হাতে। তিনি ছিলেন ‘দি লাস্ট কমান্ড’ এবং ‘দি ওয়ে অফ অল ফ্লেশ’ ছবির সেরা অভিনেতা।

৬) আরএস ওয়েন্স অ্যান্ড কোম্পানি অস্কার মূর্তিগুলো বানায়। ৫০টি মূর্তি তৈরিতে চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ লাগে তাদের।

৭) অস্কার মূর্তিটি দাঁড়িয়ে আছে পাঁচটি ফিল্ম রিলের আকৃতি ডিজাইনের উপর। সেখানে আরও পাঁচটি চাকতি আছে। যে পাঁচটি চাকতি নির্দেশ করে ফিল্মের পাঁচটি শাখাকে। এই পাঁচটি শাখা হচ্ছে পরিচালনা, প্রযোনা, অভিন, টেক(টেকনিশিয়ান) এবং স্ক্রিপ্ট রাইটিং

৮) সাড়ে তের ইঞ্চি উচ্চতার এই মূর্তিটি দেখলে যতটা হালকা মনে হয় ততটা হালকা নয়। এর ওজন প্রায় সাড়ে আট পাউন্ড!

 

৯) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী তিন বছর প্লাস্টার দিয়ে তৈরি করা হয় মূর্তিটি। যুদ্ধ পরবর্তীতে সোনা খুব দুষ্প্রাপ্য হয়ে যায়। তাছাড়া ১৯২৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে কয়েকবার মূর্তির বেস পরিবর্তন করা হয়। ১৯৪৫ সালের পর থেকে মূর্তির বেস এখনও অবিকৃত রয়েছে।

১০) মূর্তিটার নাম যে অস্কার হবে তা কিন্তু পুরস্কার কমিটি মেনে নেননি প্রথমে। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত তারা মূর্তিটিকে ‘অস্কার’ বলতে চাইতেন না। মূলত একাডেমি পুরস্কার কমিটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টার মারগারেট হেরিক চেয়েছিলেন মূর্তিটি তার আঙ্কেল অস্কার এর নামে পরিচিতি লাভ করুক

অফিশিয়ালি কমিটি মেনে না নিলেও, ১৯৩৪ সালের পর এটি ‘অস্কার’ নামেই পরিচিতি পায়। অস্কার নাম পরিচিতি পাবার পেছনে ছিল হলিউডের বিখ্যাত কলামিস্ট সিডনী স্কলস্কির অবদান ছিল। যিনি একটি লেখায় ‘অভিনেত্রী ক্যাথরিন হেপবার্ন অস্কার পেয়েছেন’ লিখেছিলেন।

দ্য টেলিগ্রাফ ডটকম এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ডট কো ডট ইউকে অবলম্বনে    


More news