যেভাবে শুরু ‘মেয়েদের সেলফ ডিফেন্স কার্যক্রম’



মূলত ২০১৪ সালের পহেলা বৈশাখে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির ঘটনা তাকে উদ্বুদ্ধ করে এই ধরনের একটি কাজের উদ্যোগ নিতে।  কিন্তু পেশাগত কারণে প্রথম দিকে তা অনিয়মিত হয়ে পড়তে শুরু করলে ২০১৫ সালের একই ঘটনার এমন তীব্র রূপে পুনারাবৃত্তি ইমরান এবং তার ভলান্টিয়ার দলকে আবারো ফিরে আসতে উদ্বুদ্ধ করে। 

শুরুতে কয়েকজন ভলান্টিয়ার মেয়ে নিয়ে তারা কাজ শুরু করে। মেয়েদের আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ দিতে এই কাজ শুরু হলেও আগ্রহ থাকা সত্বেও মেয়েদের ঘর থেকে বাইরে এনে এই প্রশিক্ষণ করানো সহজ ছিলো না।

প্রথম দিকে নানা সমস্যা দেখা দিতে থাকে যার মধ্যে প্রথম সমস্যা হলো উপযুক্ত জায়গার অভাব। একজন ভলান্টিয়ারের বাসায় প্রাথমিকভাবে শুরু করা হলে ধীরে ধীরে অংশগ্রহণকারী বেড়ে যেতে থাকলে সেখানে আর প্রশিক্ষণ নেয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। এরপরেই শহরের সি.আর.বি নামক উন্মুক্ত পাহাড়ি এলাকায় শুরু হয় পরবর্তী কার্যক্রম।

প্রথম দিকে দুটি ওয়ার্কশপ নামানোর মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পায় এই আয়োজন। শতাধিক মেয়েরা এতে অংশ নেয় এবং এই পরিমান সাড়া পেয়ে উদ্যোক্তারা নিয়মিত সেশনের সিদ্ধান্ত নেয়। নিয়মিত সেশনে আসতে থাকে ২৫/৩০ জন করে এবং এই যাবত নিয়মিত ট্রেনিং নিয়েছে ১৫০ জনের বেশি

মেয়েদের সেলফ ডিফেন্স কার্যক্রম নিয়ে ‘ক্র্যাক প্লাটুন’!

যেভাবে শুরু ‘মেয়েদের সেলফ ডিফেন্স কার্যক্রম’


বর্তমানে কি করছে ক্র্যাক প্লাটুন


‘সেলফ ডিফেন্স কার্যক্রম’ নিয়ে ইমরানের পথচলা


প্রতিবন্ধকতাও ফেস করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত


ভবিষ্যত নিয়ে তাদের ভাবনা


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

More news