তন্ময়ের পিয়ানোতে হাতেখড়ি



কীবোর্ড বাজালেও তন্ময়ের শুরুটা কিন্তু হয়েছিল পিয়ানো দিয়ে। ইন্টার পরীক্ষা দেবার পরপরই তালতলার ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল মিউজিক স্কুলে দেড় বছর পিয়ানো বাজানোর উপর প্রশিক্ষণ নেন। তবে গানবাজনার শুরুটা আরও আগে। তখন তন্ময় ক্লাস ফাইভ কিংবা সিক্সে পড়েন। তন্ময়ের মা ভীষণ সংস্কৃতিমনা মানুষবড় দুই বোনও গান গাইতেনমায়ের অনুপ্রেরণায় তন্ময়কে বাফাতে রবীন্দ্রসংগীত শেখানোর জন্য ভর্তি করা হয়।

ছোটবেলা কেটেছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে। ক্লাস টু কিংবা থ্রি’তে থাকার সময় স্কুলে দুইবার পুরস্কার পেয়েছিলেন দেশাত্মবোধক গান এবং রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে। ক্লাস সেভেনে থাকতে হারম্যান মেইনার স্কুলে চলে আসে। এরপর এসএসসি এবং এইচএসসি পাশ করেন হারম্যান মেইনার থেকেই।

পিয়ানো আর কীবোর্ড সুর প্রায় একই। তন্ময়ের ভাষায় পিয়ানো অ্যানালগ আর কীবোর্ড ডিজিটাল। তাই দেড় বছর পিয়ানোর উপর প্রশিক্ষণ নিলেও কীবোর্ডে নিজেকে মানিয়ে নিতে একমুহূর্ত অসুবিধা হয়নি। এক একটি পিয়ানোর সাইজ এবং ওজন এক একটা রুমের সমানই হয়। তুলনামূলকভাবে কীবোর্ডের ওজন কিছুটা কম তাও ৬ থেকে ৭ কেজির মতন! আয়ারল্যান্ড থেকে কীবোর্ড কিনতে বড় বোন টাকা দিয়েছিল। বন্ধু সানি এত ভারী কীবোর্ড নিয়ে এসেছিল এয়ারপোর্ট থেকে বাসা পর্যন্ত। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই তন্ময়ের।

এমআইএসটি’র “দি পিয়ানিস্ট” তন্ময়

   তন্ময়ের পিয়ানোতে হাতেখড়ি


    Unspecified ব্যান্ড এবং উপমার সঙ্গে তন্ময়ের যাত্রা


      এমআইএসটির পড়াশুনারচাপ, টিউশনি আর গান


  নিজস্ব প্রতিবেদক


More news