পেলে: দ্য গ্রেটেস্ট এভার



১৯৫০ এর গোধূলী। ব্রাজিলের ছোট শহর বাউরুতে লোকজন এক বুক স্বপ্ন নিয়ে রেডিও শুনছে। ১৯৫০ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ হচ্ছে, যা কিনা আবার ব্রাজিলের মাটিতেই। রিও’র মারাকানা স্টেডিয়ামে ২ লাখ দর্শক।

ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে। ম্যাচে ১-১ এ সমতা, কোনমতে ড্র করলেই সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেত ব্রাজিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে ব্রাজিলিয়ানদের কাঁদিয়ে উরুগুয়ের হয়ে গোল করে বসল ঘিগিয়া।

হেরে গেল ব্রাজিল, সেবার অভিশপ্ত মারাকানার ছাঁদ থেকে লাফিয়ে পড়ে সুইসাইড করেছিল অনেক ব্রাজিলিয়ান। সেবারের ফাইনালে হারার পর কেঁদেছিল ডনডিনহো এডসন নাসিমেন্তো ডনডিনহো পেলের বাবা। বাবার কান্না দেখে ৯ বছর বয়সী পেলে তার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিল যে, সে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জিতবে। আমাদের আজকের আয়োজন পেলেকে নিয়ে

কেমন ছিল পেলের ছেলেবেলা?



জিঙ্গার জন্য পেলের লড়াই



জিঙ্গার পুনর্জাগরণে একজন গ্রেটের জন্ম