একাগ্রতা আর পরিশ্রম যেকোনো চূড়ায় আরোহণ করাবে: নিশাত মজুমদার



ছোটবেলার গল্প?

লক্ষ্মীপুরে আমার জন্ম ২ বছর বয়সে চলে আসি ঢাকায় গ্রামে আর ফিরে যাওয়া হয় না আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মতই আমার ছেলেবেলা কেটেছে একদমই সাধারণ জীবন যেখানে  শৈশব, কৈশোরকে আলাদা করা কঠিন বটমলি স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করি তারপর শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজে ছিলাম সবশেষে সিটি কলেজ থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শেষ করি

পাহাড়ে উঠার নেশা ছোটবেলা থেকেই কি ছিল?

ছোটবেলায় কত কিছুর হবার আগ্রহই তো ছিল! কিন্তু মাউন্টেইনার হব এমন কোন স্পেসিফিক স্বপ্ন ছিল না! তবে অ্যাডভেঞ্চার লাইফ আমাকে ভীষণ টানত মূলত, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন থেকেই পাহাড়ে উঠার নেশা আমাকে পেয়ে বসেএরপর থেকেই পাহাড় আমাকে পাগলের মত টানতে থাকেপ্রতি বছরই ছুটি নিয়ে পাহাড়ে ঘুরে আসি

মধ্যবিত্ত পরিবারেঘরের মেয়েপাহাড়ে  উঠবে! ইতিবাচক ভাবেই কি ঘটনাটি নিয়েছিল?

আমার পরিবার থেকে সে অর্থে ঐ জাতীয় বাঁধা আসেনি, যেমেয়ে বলে এটা করবে না, ওটা করবে না হ্যাঁ, আমার পরিবার রক্ষণশীল ছিল! কিন্তু মানসিকতার দিক থেকে উদার ছিল ছেলে  মেয়েকে কখনই কোন কাজে আলাদা করে দেখতেন না বাবা মা আমরা কিন্তু দুই বোন, দুই ভাই কিন্তু কখনও ভাই বোনের মধ্যে ঐছেলে মেয়ের প্রভেদআমার বাবা মা করেননি

তবুও সমাজ থেকে তো কিছু বাঁধা আসেই

আসলে কি এটা সমাজের ধারণাই যে, মেয়েরা সব কাজ করতে পারে না অনেক ক্ষেত্রে তাই মেয়েরাও ভয় পায় সব ধরনের কাজ করতে মানসিক বাঁধা তো কিছু থাকেই তবে পরিবার পাশে থাকলে, কোন প্রতিবন্ধকতাই স্পর্শ করতে পারেনা

পাহাড়ে উঠার শুরুর দিকের কথা

ইনাম আল হক স্যারের কথা বিশেষভাবে বলতে চাই তিনি বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্র্যাকিং ক্লাবের ফাউন্ডার তার স্বপ্নই ছিল, বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা পাহাড়ে যাবে এভারেস্টের চূড়ায়  উঠবে তিনি একজন বহুমুখী প্রতিভার মানুষ বার্ড ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে তরুণরা পাখি নিয়ে কাজ করতে উৎসাহ বোধ করে যাই হোক,  তিনি ৫ জন মেয়েদের নিয়ে একটি দল করেছিলেন যাদেরকে নিয়ে তিনি হিমালয় জয় করার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমি সেই দলে ছিলাম

তার মানে এভারেস্টে ওঠার আগে বেশ কিছু পাহাড়ে উঠা হয়েছে?

হ্যাঁ, অবশ্যই বাংলাদেশের পাহাড়ে উঠেছি ছোট পাহাড় থেকে বড় পাহাড়ে উঠা নেপালে ট্র্যাকিং করতে গিয়েছিলাম এরপর দার্জিলিংয়ে অবস্থিত হিমালয় মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে প্রশিক্ষণ নেই এভাবেই এগিয়ে চলি এভারেস্ট জয় করার স্বপ্নের দিকে এভারেস্টের বেস ক্যাম্পই ছিল ৫৫০০ মিটার উঁচুতে আর পুরো এভারেস্টের উচ্চতা ৮৮৪৮ মিটার তাই এত বিশাল পাহাড়ে উঠার আগে কিছু ছোট ছোট পাহাড়েও উঠেছি ক্লাইম্বিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়েছি

ট্র্যাকার এবং মাউণ্টেইনারের মধ্যে বেসিক পার্থক্য কি?

ট্র্যাকিং হচ্ছে মূলত হাটা পাহাড়ের পথ কেটে কেটে হেঁটে যাওয়া আর মাউন্টেইনিং হচ্ছে টেকনিক্যাল ইকুয়েপমেন্ট সহ পাহাড় অতিক্রম করা

প্রশিক্ষণে মূলত কি কি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়?

প্রশিক্ষণে তিনটা দিকেই জোর দেওয়া হয় বেশি প্রথমে অবশ্যই মানসিক শক্তি বৃদ্ধিদ্বিতীয়ত শারীরিক দক্ষতা এবং সবশেষে টেকনিক্যাল পার্টগুলো শেখান হয়।

বাংলাদেশে মাউন্টেনিয়ারিং প্রশিক্ষণের  কোন প্রতিষ্ঠান নেই ?

বাংলাদেশে আসলে মাউন্টেইন বা পর্বত নেই আছে পাহাড় বা হিল আসলে মাউন্টেইনারদের কাছে মাউন্টেইন বলতে বোঝায় টেকনিক্যাল পাহাড়( টেকনিক্যাল ইকুয়েপমেন্ট ছাড়া যে পাহাড়গুলোতে উঠা যায়না) সেটা নেই বলেই, এই দেশে কোন মাউন্টেনিয়ারিং শেখার জন্য ক্লাব গড়ে উঠেনি  তবে আমার ইচ্ছা আছে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করা। এখন যাদের ইচ্ছা বা আগ্রহ আছে তারা নেপাল, ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

এভারেস্টে ওঠার পূর্বপ্রস্তুতি?

এই এভারেস্ট ওঠার পূর্বপ্রস্তুতিই যেন আরেক এভারেস্ট জয় করার মত একদিনে তো আর স্বপ্ন দেখা শুরু করিনি এত দূরের জিনিষ! ভয়ানক দুর্গম পথ! তাই প্রস্তুতির পুরোটা সময় অনেক বেশি সংগ্রাম করতে হয়েছিল বিশেষত আর্থিক ব্যাপারটা এভারেস্ট পরিমাণ অর্থের দরকার, এভারেস্ট জয় করতে

কত সেই টাকার পরিমাণ!

৭০ হাজার ডলার আমার সঙ্গে এভারেস্টের সঙ্গী ছিল এম এ মুহিত তিনি ২০১১ সালে এভারেস্ট জয় করে এসেছিলেন আমারও ২০১১ সালে যাবার কথা ছিল, কিন্তু সে পরিমাণ অর্থ যোগাড় করতে পারিনি বলেই যাওয়া হয়নি পরে ২০১২ সালে যাই

৭০ হাজার ডলার অনেক বিশাল অঙ্কের টাকাই! ঠিক কি কি খাতে এত টাকা লেগেছিল?

১০ হাজার ডলার রয়্যালিটি ফি দিতে হয় নেপাল সরকারকে এভারেস্টে উঠছি বলে বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় প্রেস কনফারেন্স এসে প্রেস কনফারেন্স বিমানভাড়া, হোটেল, টেকনিক্যাল ইকুয়েপমেন্ট কেনা, ইত্যাদিতেই মূলত খরচ হয় এভারেস্টে ওঠা প্রচণ্ড ব্যয়বহুল

স্পনসর যোগাড়?

পুরোটা ক্লাব ম্যানেজ করেছে বিভিন্ন কর্পোরেট কোম্পানি স্পন্সর করেছেমোট ১১ জন স্পন্সর ছিল আমাদের 

কি কি ইকুয়েপমেন্ট নিয়েছিলেন এভারেস্ট অভিযানে?

আমাদের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মধ্যে ছিল স্যাটফোন ইউরোপের বিভিন্ন অভিযাত্রীরা সোলার প্যানেল, ল্যাপটপও সঙ্গে নেয় আমাদের স্যাটফোন স্পন্সর করেছিল প্ল্যান নেপাল

আর?

আর সঙ্গে যেসব থাকে হেলমেট, শরীরে  ঠাণ্ডা যাতে না লাগে তার জন্য একটি ফেদার জ্যাকেট, ডাউন সুট, হার্নেস, জুমার, অ্যাসেন্ডার , ডিসেন্ডার , আইস বুট। হাতে গ্লাভস। এসব যখন গায়ের সঙ্গে জড়ান হয় তখন স্বাভাবিক ওজন বেড়ে দুগুন তিনগুণ হয়।

এভারেস্ট অভিযানে সঙ্গী ছিল যারা

বাংলাদেশ থেকে আমি আর মুহিত ভাই ছিলাম আমাদের সঙ্গে ৪ জন শেরপা ছিল  

এভারেস্টে সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত ?

এভারেস্টে বরফধ্বস খুব কমন একটা ঘটনা পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা বরফ, সূর্যের তাপে গলে ভেঙ্গে পড়ে একে avalanche বলে আমি এরকমই একটা avalanche এর ছবি তুলছিলাম ভাবিনি, ওটা আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে আমাদের সঙ্গে শেরপা কিন্তু অভিজ্ঞ ছিল, সে বুঝতে পারছিল, বরফধ্বস আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে সবাই নিজেদেরকে সেফটিতে নিয়ে যায়

আমাদের  প্রত্যেকের দড়ির সঙ্গে আংটা লাগান থাকে তা দিয়ে অন্য দড়ির সঙ্গে সংযোগ করা সম্ভব হয় বিপদের সময় সবাই ঐ দড়ির মাধ্যমে নিজেদের ওই স্থান থেকে গুটিয়ে নেয় আমি তখন কোন সেফটি নেইনি যা হবার তাই হল, ওই বরফধ্বস আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সমুদ্রের মত আধ ঘণ্টা পর আমাকে খুঁজে পাওয়া যায়, আমি বরফচাপা ছিলাম ঐ সময়টুকু

যখন আমাকে খুঁজে পাওয়া যায়, আমার নাকে রক্ত লেগে আছে, মাথা ফেঁটে রক্ত বের হচ্ছে তবুও অলৌকিক ভাবেই আমার এই অক্ষত থাকা কারণ আমাদের সঙ্গেই এক অভিযাত্রী শেরপা পড়ে গিয়েছিল, তাকে যখন উদ্ধার করা হয় তখন তার হাত ও বুকের হাড় ভাঙ্গা সবাই খুব আশ্চর্য হয় আমাকে অক্ষত দেখে আমার দলের শেরপারা আমাকেলাকি গার্লবলে ডাকা শুরু করে

আপনারা নেপাল দিয়ে এভারেস্টে উঠেছিলেন, বলা হয় এটাই নাকি এভারেস্টে ওঠা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দিক?

নেপাল ও তিব্বত দুই দিক থেকেই এভারেস্টে ওঠা যায় আমরা উঠেছি নেপালের দিক থেকে।  হিলারি এবং তেঞ্জিং এই পথ দিয়েই উঠেছিল নেপালের দিক থেকে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ বলার কারণ এখানে খুম্বু আইসফল নামক একটি হিমবাহ আছে এটা একটি মুভিং আইসফল খুম্বু আইসফলের  avalanche এ প্রায় ১৬ জন মারা গেছে ২০১৪ সালে তিব্বতের পথে প্রচুর বাতাস, নেপালের পুরো বিপরীত আবহাওয়া মুহিত ভাই আগের বার ঐ পথ দিয়ে এভারেস্টে উঠেছিলেন তিনি বলেছিলেন, নেপালের পথ অপেক্ষাকৃত ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু আমি যেহেতু ঐ পথ দিয়ে উঠিনি, তাই আমার কাছে ঐ পথও ঝুঁকিপূর্ণ

খুব খুব কঠিন একটা অভিযান, মন চায় নি কখনও “ যাক ! ছেড়ে দেই”

লড়াই ছেড়ে দেওয়ার কথা কি বলব! প্রতিমুহূর্তেই ভেবেছি “যাক ফিরে যাই”। বেস ক্যাম্পে রাতের বেলা ঘুম হতোনা। যত উপরে যাবেন, অক্সিজেন তত কমবে। সঙ্গে বাড়বে মাথা ব্যাথা, বুক ব্যাথা। খাওয়ার, ঘুমের কোনটাই রুচি থাকে না। ৮ হাজার মিটার উচ্চতা! অনেকেই বাঁচেনা! আসলে খুবই কষ্টকর ছিল সে দিনগুলিএক্ষেত্রে মুহিত ভাই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত খুব সাহায্য করেছিলেন। আমি যদি একটু ভেঙ্গে পড়তাম, তিনি বলতেন “ আপনি মনে রাখবেন, বাংলাদেশের প্রতিটা মেয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন আপনি”। তাতে মনে জোর পেতাম, আবার অভিযান শুরু করতাম।

এভারেস্টে উঠলেন! প্রথম নারী হিসেবে জয় করলেন এভারেস্ট! এই এতদিন পরে এসেও কি অনুভূতি পুরানো হয়েছে?

অনুভুতির কিছু ধরন কখনই পাল্টায় না কি বলব? ঐ অনুভূতিটা অবশ্যই ভাল লাগার মুহূর্তটা ছিল জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি এমনটা মনে হয়েছিল, হয়ত চুড়ায় উঠতে পারব; কিন্তু নামার সময় মারা যাব কারণ বেশীরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে নামার সময় তখন exhausted হয়ে যায় সবাই, শক্তি থাকে না শরীরে যেদিন আমরা সামিট করলাম, ৫ জন মারা গেছে নামার সময়ে তাই নেমে আসার একটা চিন্তা মাথাতে ছিলই আমি এমনিতে খুব শক্ত কাটখোট্টা মানুষ ভাবলাম, হয়েছে আর কি?” (হাসি)

বাংলাদেশে ফিরে আসার পর?

এভারেস্টে যখন উঠছিলাম ,তখনই ঠিক জানতাম না আমিই  প্রথম মেয়ে কি নাচূড়ায় উঠার পর  আমার অনুভূতি ছিল “আমি কি আসলেই প্রথম”। এখনও আসলে আমি আমার অবস্থা ভাবতে পারিনা। তারপর প্রথম বাংলাদেশে পা দেই। মূল অনুভূতিটা তখনই আসলে টের পাই। প্রথম মেয়ে হিসেবে এভারেস্ট জয় করাটা মানুষকে ভীষণভাবে স্পর্শ করেছে মেয়েদেরকে নাড়া দিয়েছে প্রবলভাবে। মেয়েরা যে ভাবে, “কঠিন কাজ পারব না, আমি দুর্বল”, এই অবিশ্বাসের জায়গাটাই ভেঙ্গে দিয়েছি।

এখন কি করছেন?

এখনও পাহাড়ে চলার এক অদম্য নেশা আমার আমার ধ্যানে মনে পাহাড় প্রকৃতি আমাকে টানে আর আলাদা ভাবে মেয়েদের জন্য, শিশুদের জন্য কাজ করছি বিশেষ করে শিশুদের মাউন্টেইনিংয়ে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য ছোটবেলা থেকে তাদের মধ্যে স্বপ্ন বুনে দেওয়ার চেষ্টা করি অনেকের সাথেই আলোচনা করছি কোন প্রতিষ্ঠান করা যায় কি না আর বিভিন্ন স্কুলে যাওয়া, ছেলেমেয়েদের উদ্বুদ্ধ করা তো আছেই পাহাড়েই যেতে হবে এমন কথা নেই জীবনে যে পাহাড়সম লড়াই আছে, সে সংগ্রামে উত্তীর্ণ  হওয়ার জন্য স্বপ্ন দেখাই আমাদের সমাজের একটা ধারণা আছে ছেলেমেয়েদের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে! আমি তাদের বুঝাই জীবনের লক্ষ্য কখনই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হওয়া নয় স্বপ্ন থাকতে হবে নিজের পছন্দের কোন বিষয়ে নিজের স্থান করে নেওয়া নিজেকে একটা জায়গায় দেখতে চাইলে তার জন্য ভীষণ ডেডিকেটেড হওয়া জরুরী তাহলেই ঐ স্থানটা দখল হবে এই জায়গাগুলো বাচ্চাদের বোঝানোর চেষ্টা করি

আজকের দিনের তরুণদের যদি বিশ্লেষণ করতে বলি

আমি খুবই আশাবাদী আজকের দিনের তরুণদের নিয়ে ছেলে মেয়েরা নতুন নতুন অনেক কাজ করছে সমাজ বদলানোর জন্য কাজ করছে তবে অন্ধকার দিকও আছে সমাজ এখন দুই ভাগে বিভক্ত সুবিধাভোগী এবং সুবিধাবঞ্চিত যারা সুবিধাবঞ্চিত তাদের একটি বড় অংশ মাদকে ডুবে আছে ঢাকার বাইরে গেলে খুব মন খারাপ হয় মাদকের কালো হাত এমনভাবে ধেয়ে আসছে এই তরুণদের দিকে যা বলার মত না

আর একটি জিনিষ খেয়াল করছি মেয়েরা সমাজে, শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে অনেক অন্যদিকে ছেলেদের মনোযোগ দিন দিন কমে যাচ্ছে তবে এত কিছুর পরেও ভাল লাগছে ওরা নতুন অনেক কিছু করার চেষ্টা করছে ভালো লাগছে ওয়াসফিয়ার সেভেন সামিট অভিযানকে কত লক্ষ লক্ষ তরুণকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে এই সামিট

তরুণদের উদ্দেশে কিছু কথা

সবাই সবার মতন হবে। নিজেকে দাঁড় করাও জীবনের সামনে। নিজের স্থান দেখ। আমি কি হতে চাই সেটা খুঁজে বের কর। তোমার স্বপ্ন তুমি নিজে দেখ। সে স্বপ্নের চূড়ায় পৌঁছানোর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম কর। মনে রাখবে, একাগ্রতা আর পরিশ্রম তোমাকে যেকোনো চূড়ায় আরোহণ করাবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি,বিডি ইয়ুথ।


More news