বিব্রতকর প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার দারুণ কিছু টিপস!



“আপনার ডিভোর্সটা হয়েই গেলো, না? কেন হলো বলুন তো!” অথবা “তা ভাই মাসে এখন কত পাচ্ছেন আপনি? টাকা-পয়সা ঠিকমতো দেয় তো বস?” কিংবা “আপনার মেয়ে নাকি ঐ পাড়ার হারুনের সাথে প্রেম করছে? ঐ ছেলেটা কিন্তু একদম ভালো না ভাবি! আমি আপনাকে আগেই বলেই দিচ্ছি।”

জীবনে পথ চলতে আপনাকে বা আপনার পরিবারের সদস্যদের কাউকে না কাউকে অসংখ্যবার এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হয়েছে। এই প্রশ্নগুলো আপনি শুনতে চান বা না চান, আপনি পছন্দ করছেন কি করছেন না তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাবে না।

এ জাতীয় প্রশ্ন এড়ানোর জন্য কি করা উচিৎ বলুন তো? সব সময় কি আর মুখের উপর “আমার যা খুশি হোক, তোমার কি?” ধরনের উত্তর দেয়া যায়? তাহলে অবাঞ্ছিত প্রশ্ন এড়ানোর কিছু কৌশল শিখে নেয়া যাক আজকের লেখাটি থেকে

প্রশ্নের উত্তর হোক প্রশ্নে


কৌতুক করেও দিতে পারেন দাঁতভাঙ্গা জবাব


অস্পষ্টতা হোক আপনার হাতিয়ার


ব্যক্তিগত প্রশ্নের উত্তর হোক আরেকটি ব্যক্তিগত প্রশ্ন


গোটা দুয়েক পদ্ধতি একত্রে ব্যবহার করুন


টু নো মাইসেলফ ডট কম অবলম্বনে, ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত


More news