প্রতিকারক হিসেবে হলুদের জাদু!



গোল্ডেন মিল্ক মানে দুধের সাথে হলুদের মিশ্রণ। খেয়েছেন কখনও? শুনে কি নাক ছিটকাচ্ছেন? দূর, এটা আবার খাওয়া যায় নাকি, এরকমটা ভাবছেন? কিন্তু আপনি জানেন কি, প্রাচীন কালে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে প্রধান প্রতিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হত এটিডায়রিয়া, জ্বর, ব্রংকাইটিস, ঠাণ্ডা লাগা, ভাইরাল ইনফেকশন, কিডনি ইনফেকশন, মাথাব্যথা, জয়েন্টে কিংবা মাংস পেশীতে ব্যথা, বাতব্যথা, কুষ্ঠ রোগ সহ আরও বিভিন্ন রোগের প্রতিকারক ছিল গোল্ডেন মিল্ক। অবশ্য আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রসারে এখন তা হারিয়ে গেছে

এই প্রতিকারকের আসল গুনাগুণ কিন্তু দুধে না, হলুদে। চীনা চিকিৎসা বিজ্ঞানে, মানসিক রোগ এমনকি ক্যান্সার চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা হয় হলুদ। আঁশ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং মিনারেলে সমৃদ্ধ হলুদের এত ব্যবহারের মূল কারণ হলো-“এর কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই”হলুদ যে শুধু রোগ থেকে মুক্তি দেয়, তা কিন্তু নয়। আছে আরও নানান স্বাস্থ্যগুণ। চলুন, হলুদের কিছু স্বাস্থ্যগুণ জেনে নেয়া যাক।

 

১। ক্যান্সার প্রতিরোধক

দেহের কোষকে সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে হলুদ। ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তাকারী এনজাইমগুলোকে বাধাপ্রাপ্ত করে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে এই হলুদ।

২। ডায়বেটিস প্রতিরোধক

দেহে সুগার এবং ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে হলুদ। তাই ডায়বেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

৩। ব্যথানাশক

হলুদে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ব্যথানাশক উপাদান। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টের কোষকে সতেজ রাখতে এবং ব্যথা কমাতে ভুমিকা রাখে হলুদ। এমনকি আরথ্রাইটিস রোগ উপশমেও বেশ কার্যকরী এই হলুদ। তাইতো আরথ্রাইটিস রোগের প্রাকৃতিক প্রতিষেধক বলা হয় হলুদকে।

৪। ক্ষত সারায়

ছোট খাট কাটা, পোড়া, কিংবা ঘা সারাতে হলুদের পেস্ট মারাত্বক কার্যকরী।

৫। হজম প্রক্রিয়া দ্রুতকরণ

ভারী খাবারের পর পরিপাকতন্ত্রে গ্যাসের মাত্রা কমিয়ে দ্রুত হজমে সাহায্য করে হলুদ।

৬। স্কিন সুন্দর করে

স্কিনে ব্রণ কিংবা নানারকম চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে হলুদ। তাছাড়া, ত্বক উজ্জ্বল করতেও হলুদের আছে কার্যকরী ভুমিকা।

সূত্র: হেলদিফুডহেডলাইন্স ডট কম অবলম্বনে।


More news