অবনীর আপন অনুভূতির দেয়াল



আমার বাবা মাহবুবুর রহমান খান পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং মা মোর্শেদা বিন্তে আসির পেশায় একটি সরকারি বিদ্যালয়ের হেডমিস্ট্রেস। খুব স্বাভাবিক কারণেই ব্যস্ততার জন্য বাবা-মার কেউই আমার সফর সঙ্গী হতে পারতেন না।

বাবা-মাকে ছাড়া কোথাও থাকার অভ্যাস ছিলো না। তাই প্রথম প্রথম ট্যুরগুলোতে বাবা–মার জন্য অনেক কেঁদেছি। বাবা-মা ছেড়ে, চেনা দেশ ছেড়ে অচেনা-অজানা দেশে যাব কখনো ভাবতেই পারিনি।

তবে একসময় কাঁদতে কাঁদতে হঠাৎ যেন বড় হয়ে গেলাম আমি, বুঝতে শিখে গেলাম কান্না করে না, সাহস করে টিকে থাকার নামই জীবন।


আমি যখন কেজি–নার্সারীতে পড়তাম তখন বাবা আমাকে স্কুল ছুটির পর নিয়ে আসত। বাসায় ফেরার পথে প্রতিদিন বাবা আমাকে কোণ আইসক্রিম কিনে দিত। এটা যেন প্রতিদিনের একটা রুটিন হয়ে দাড়িয়েছিল।

কিন্তু আমার ছোট ভাই হবার পর বাবা আর আমাকে নিয়ে আসতো না আর আমারও আইসক্রিম খাওয়া হতো না। ছোটবেলার এই স্মৃতিটা আমি ভুলতে চাই না। আমি প্রচন্ড মিস করি সেই সময়টাকে।

আর বড় হয়ে একটা বিষয় খুব কষ্ট দেয়। আমি এই জায়গায় সত্যি খুব আনলাকি। আমি ছোটবেলা থেকে এখনো পর্যন্ত ভাল কোন বন্ধু পাইনি। হ্যাঁ চলছি, ফিরছি, ঘুরছি এমন সতীর্থের অভাব কখনোই হয়নি আমার।


তবে প্রকৃত অর্থে বন্ধু বলতে আমরা যা বুঝি- শেয়ারিং, কেয়ারিং, বন্ধুর সাহায্যে বন্ধুর এগিয়ে আসা এমন কাউকে পাইনি। সত্যিটা হচ্ছে, নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ায় এমন কোন বন্ধু এখনো পাইনি। 

AUST’র অবনী: অর্জনগুলো আমার প্রত্যাশার অনেক ঊর্ধ্বে!

পাইলট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠেছি


অবনীর স্বপ্নের পথে যাত্রা


অর্জন যখন প্রত্যাশার অনেক ঊর্ধ্বে!


আহসানউল্লাহ’র ক্যাম্পাস লাইফ এনজয় করতে পারিনি


স্বপ্ন দেখি একটা ড্যান্স ইনস্টিটিউশনের


অবনীর আপন অনুভূতির দেয়াল


তুমি নষ্ট হতে না চাইলে কেউ তোমাকে নষ্ট করতে পারবে না


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

More news