পাইলট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠেছি



ছোটবেলা কেটেছে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে। শহীদ বীর উত্তম লেফটেন্যান্ট আনোয়ার গার্লস কলেজে পড়েছি ক্লাস টেন পর্যন্ত। ছোটবেলা থেকেই আর্মিদের ডিসিপ্লিন লাইফ দেখে বড় হয়েছি। তাই হয়ত ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করি আর্মি হবার।

সবাই যেখানে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইত তখন আমি আর্মি হবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম। আসলে বারো বছর এমন একটি পরিবেশে থাকার পর যে কোন মানুষেরই এই জীবনটার প্রতি একটা ভাল লাগা কাজ করবে। আরেকটু বড় হবার পর স্বপ্নটাও যেন আরও পরিণত হলো।

আমি পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম। এমনকি আমি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে আট মাস ‘বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি’তেও পড়েছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাকে প্রায়ই দেশের বাইরে থাকতে হবে। বাবা-মা কে ছেড়ে বাইরের দেশে থাকা আমার জন্য অসম্ভব ছিল, আর বাবা-মার সম্মতিও ছিলো না।

তাই আমি আমার সিদ্ধান্ত বদলাই। বাবা-মার ইচ্ছানুযায়ী আহসানউল্লাহ’তে মেকানিক্যাল বিভাগে অ্যাডমিশন নেই। পাইলট থেকে একদম ইঞ্জিনিয়ার। আকাশ থেকে একদম বাস্তবতায় নেমে এলাম যেন!!

AUST’র অবনী: অর্জনগুলো আমার প্রত্যাশার অনেক ঊর্ধ্বে!

পাইলট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠেছি


অবনীর স্বপ্নের পথে যাত্রা


অর্জন যখন প্রত্যাশার অনেক ঊর্ধ্বে!


আহসানউল্লাহ’র ক্যাম্পাস লাইফ এনজয় করতে পারিনি


স্বপ্ন দেখি একটা ড্যান্স ইনস্টিটিউশনের


অবনীর আপন অনুভূতির দেয়াল


তুমি নষ্ট হতে না চাইলে কেউ তোমাকে নষ্ট করতে পারবে না


ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

More news